Friday, March 20, 2020

সাংবিধানিক সঙ্কট : মুসলিম সভ্যতায় রাজনৈতিক বিপর্যয়

ইফতেখার জামিল 

উপনিবেশ-উত্তর সময়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসেনি। রাজতন্ত্র, সামরিক শাসন, স্বৈরাচার, গৃহযুদ্ধ, দুর্বল সরকার ও বৈদেশিক হস্তক্ষেপে আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক ধারাবাহিকতা বারবার ব্যাহত হয়েছে। এর পেছনে উপনিবেশের দায় থাকলেও ইসলামী চিন্তা এর মোকাবেলায় কেন ব্যর্থ হচ্ছে, সেই প্রশ্নও জোরালোভাবে হাজির হচ্ছে। তুরস্ক-ইরান-মালয়েশিয়ার মতো যেসব দেশ স্থিতিশীলতা অর্জন করেছে, সেসব দেশেও পশ্চিমা রাজনৈতিক প্রকল্প কার্যকর করা হয়েছে। ফলে ইসলামী রাজনৈতিক চিন্তা ও প্রকল্পের ফলপ্রসূতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।

আদতে শুধু উপনিবেশ, ধর্মনিরপেক্ষতা বা ধর্মহীনতাই নয়, এই অস্থিতিশীলতার পেছনে মৌলিকভাবে মুসলমানদের শত শত বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ইতিহাসেরও দায় আছে। ইতিহাসকে কখনো মুছা যায় না, ইতিহাস চিন্তা ও চর্চায় উত্তরাধিকারের মতো সিলসিলা জারি রাখে। খেলাফতে রাশেদার পরবর্তীতে আদর্শ মুসলিম শাসনের সমাপ্তি ঘটে। মুসলিম শাসনব্যবস্থা বাকী থাকলেও ইসলামী আদর্শ থেকে সে শাসন অনেক দূরে সরে যায়। একেই মুসলিম চিন্তার ভাষায় ইফতিরাকুস সুলতান ও ওয়াল কোরআন হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। অর্থাৎ মুসলিম ইতিহাসে ক্ষমতা ও নৈতিকতার জরুরী সম্পর্ক শিথিল হয়ে পড়ে।

এভাবে মুসলিম সভ্যতায় শাসক ও আলেমদের মধ্যে দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের সূচনা ঘটে। যার ফলশ্রুতিতে শাসক ও আলেমদের, অন্যভাবে বললে ক্ষমতা ও নৈতিকতার দ্বৈত ব্যবস্থা গড়ে উঠে। এই দ্বন্দ্ব ও দ্বৈততা সবসময় সচেতন গোষ্ঠীকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। এর রুপ ও ধারাবাহিকতা কখনো একরকম ছিল না। কেউ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন, কেউ বিচ্ছিন্নতা বজায় রেখেছেন আর কেউ নিরাপদ সম্পর্ক গড়তে চেয়েছেন। কিছু নৈতিক নিক্তি অতিক্রম করলেই শেষোক্তদের দরবারী আলেম হিসেবে সমালোচনা শুনতে হয়েছে, বিদ্রোহীদের শুনতে হয়েছে খারেজী অপবাদ আর বিচ্ছিন্ন থাকলে বলা হত মুরজিয়া ও জাবরিয়া। ফলে কারো পক্ষেই নিরাপদ বা নিশ্চিত অবস্থানগ্রহণ সম্ভব ছিল না।

একদিকে ধর্ম ও ইতিহাসের চাপ ; কোরআন ও হাদিসের অসংখ্য বক্তব্যে রাজনৈতিক মুক্তির প্রকল্প ও মূল্যবোধ আলোচিত হয়েছে, দ্বান্ধিক ও দ্বৈত বাস্তবতা মেনে নেওয়ার অপরাধবোধে ভুগেছেন আলেম ও সচেতন সমাজ। পাশাপাশি জালিমশাহীর মোকাবেলা করার সামর্থ্যও ছিল না। ফলে এই জটিল বাস্তবতায় শাসক ও আলেম সম্পর্ক বা ক্ষমতা ও নৈতিকতার দ্বৈততা বিবেচনায় আপদকালীন নীতি বা জরুরী অবস্থা মেনে নেওয়া হয়। তবে তাতে সমাধান বা অপরাধবোধের মীমাংসা ঘটেনি। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়েছে। উপনিবেশ-উত্তর সময়েও এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

প্রখ্যাত মুসলিম চিন্তাবিদ মুহাম্মদ মুখতার আশশানকীতী তাত্ত্বিকভাবে এই জটিলতা মোকাবেলার চেষ্টা করেছেন। মুসলিম সভ্যতায় রাজনৈতিক সঙ্কট : ফিতনায়ে কুবরা থেকে আরব বসন্ত শীর্ষক বইয়ে উল্লেখিত জটিলতা সমাধানের চেষ্টা চালিয়েছেন। তার প্রস্তাবনায় তিনি ইসলামী আয়াত ও হাদিসের বক্তব্যকে ভিত্তি ধরে মুসলিম রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে বানিয়েছেন বিষয়বস্তু আর মুসলমানদের রাজনৈতিক-সাংবিধানিক মুক্তিকে বানিয়েছেন প্রস্তাবনার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। প্রখ্যাত মুসলিম ঐতিহাসিক ইমাম শাহারেস্তানী বলেন, ইমামাহ বা শাসনব্যবস্থা নিয়ে মুসলিম ইতিহাসে যে পরিমাণ রক্তপাত ঘটেছে, অন্য কোন বিতর্ক ও বিবাদে এত রক্তপাত হয়নি। সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্নে মুসলমানদের কোষমুক্ত তরবারি গৃহযুদ্ধের বদলে অন্যায়-অবিচার মোকাবেলায় সক্রিয় হোক, এটাই সাংবিধানিক বৈধতার সঙ্কটের মূল প্রস্তাবনা।

ইসলামের রাজনৈতিক সম্ভাবনা

মানব ইতিহাসে ইসলামের আবির্ভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ইসলামের আলোচনা ছাড়া কোন সামগ্রিক ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক আলোচনা পূর্ণতা পাবে না। রোমান-পারস্য সাম্রাজ্য ও পৌত্তলিকতার মোকাবেলায় মুহাম্মদ সাঃ এর নেতৃত্বে এক অসম্ভব ধর্মীয়, নৈতিক, আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও বক্তব্যের সূচনা ঘটে। পরবর্তী পঞ্চাশ বছরে এই নেতৃত্ব ও বক্তব্য এতটাই প্রভাবশালী হয়ে উঠে যে, পৃথিবীর কোন মানচিত্র বা জনমিতি পর্যালোচনায় ইসলামের আলোচনা বাদ দেওয়া আর সম্ভব নয়। এটা নিছক ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বিষয় নয়, রাজনৈতিক প্রস্তাবনা ছাড়া এমন প্রভাব বিস্তার সম্ভব ছিল না।

ইসলামের রাজনৈতিক প্রস্তাবনা ঠিক কী, সেটা বিশদ আলোচনার দাবী রাখে। বর্তমানে অনেকে ইসলামী প্রস্তাবনা নিশ্চিত করতে ধর্মীয় আইন বাস্তবায়নের দাবী জানান। তাতে ইসলামী রাজনৈতিক প্রস্তাব অনেকটা আইনি প্রস্তাবনায় রুপান্তরিত হয়ে যায়। আদতে ইসলামে মানুষ হচ্ছে পৃথিবীতে আল্লাহর খলিফা। আল্লাহর খলিফা হিসেবে মানুষের মধ্যে আছে কিছু বিশেষ গুণ ; বুদ্ধি, বিবেচনা, শক্তি ও ইচ্ছা, এগুলো মূলত বান্দার মধ্যে আল্লাহর সিফাতের তাজাল্লী। এই তাজাল্লীর মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার ওপর অর্পিত আমানতের দায়িত্ব পালন করে।

মানুষ রুবুবিয়াত তথা আল্লাহর প্রতিপালন গুণের আমানতের অংশ হিসেবে সকল মাখলুক ও সৃষ্টির হেফাজতের দায়িত্বগ্রহণ করে। একেই এককথায় আমরা ইনসাফ বলতে পারি। এখান থেকেই ইসলামের রাজনৈতিক বৈধতা তৈরি হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমরা শাসন করলে ইনসাফের সাথে শাসন করো। ( সূরা নিসা, আয়াত ৫৮ ) । এর সাথে তাওহীদ ও শেরেকির ধারণা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। শেরেকির মানে হচ্ছে, আল্লাহর কিছু গুণের তাজাল্লী আপনার মধ্যে থাকলেও আপনিও একজন সাধারণ বান্দা, আল্লাহর সামনে সকলে সমান, এটাই তাওহীদের ধারণা।

আল্লাহর সিফাতের তাজাল্লী, ইনসাফ, তাওহীদ ও শেরেকীর ধারণার মাধ্যমে ইসলামে রাজনৈতিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রস্তাবনার ভিত্তি দাড়িয়ে আছে। নৈতিকতা স্বীকার ও বাস্তবায়নেই শাসকের রাজনৈতিক বৈধতা স্বীকৃত হতে পারে। ইসলামী ইতিহাসে নৈতিকতার স্বীকৃতিতে কোন দ্বিমত ঘটেনি। কে কীভাবে রাজনৈতিক মূল্যবোধ বাস্তবায়ন করবে, সে নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। নৈতিকতা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে, কীভাবে সংস্কার ও সংশোধন করা হবে, সেটা নিয়েও তৈরি হয় বিরোধ। সর্বোপরি কীভাবে ক্ষমতা গ্রহণ, তার বিরোধিতা, সংস্কার ও হস্তান্তর হবে, সে নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়। সঙ্কট থেকে বিপর্যয়। খোলাসাভাবে বললে এটাই মুসলিম সভ্যতায় সাংবিধানিক বৈধতার সঙ্কট।

সাংবিধানিক সঙ্কট : মুসলিম রাজনৈতিক নৈতিকতা ও বৈধতার বিপর্যয়

যে বিপ্লবী প্রস্তাব নিয়ে ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল, তার সম্ভাবনা এখনো সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। শুধু মুসলিম বিশ্বের অস্থিতিশীলতা সমাধানের জন্যই নয়, পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের ব্যর্থতা প্রমাণিত হবার পরে বিকল্প হিসেবে নতুনভাবে ইসলামী প্রস্তাবনার পর্যালোচনা জারি করা জরুরী। যে মুহাম্মদী কাফেলা রোমান ও পারস্য সাম্রাজ্য ও পৌত্তলিকতার মোকাবেলায় নেমেছিল মুক্তির পয়গাম নিয়ে – যে ইনসাফ ও তাওহীদের প্রস্তাব কোটি কোটি মানুষকে স্বৈরাচার ও প্রবৃত্তির গোলামি থেকে আজাদ করেছে, সে আজাদির পয়গাম কখনোই অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে না।

ইসলামী রাজনীতি প্রসঙ্গে পশ্চিমা,ধর্মনিরপেক্ষ বা ধর্মহীন চিন্তাবিদদের মূল্যায়ন হচ্ছে, ইসলামে কোন রাজনৈতিক নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও প্রস্তাবনা নেই। ইউরোপের মধ্যযুগীয় যাজকবর্গের মধ্যে যেমন ধর্মীয় শাসন জারি ছিল, ইসলামের রাজনৈতিক প্রস্তাবনা এর থেকে ভিন্ন কিছু নয়। তবে আমরা আগেই যেমন বলেছি, রাজনৈতিক প্রস্তাবনা ও মূল্যবোধ ছাড়া আরব উপদ্বীপের পিছিয়ে পড়া একটা ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষে পৃথিবীর বৃহত্তর মানচিত্র ও জনমিতিতে প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব ছিল না। প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে মুসলিম সভ্যতায় রাজনৈতিক বিপর্যয় কেন ঘটেছিল?

এর উত্তর হচ্ছে, শাসনব্যবস্থার সংস্কার ও ক্ষমতা হস্তান্তরে ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষিত হয়নি। ফলে একপর্যায়ে ধর্মীয় মূল্যবোধ বাস্তবায়িত হলেও রাজনৈতিক মূল্যবোধ প্রয়োগে শিথিলতা দেখা যায়। এর থেকেই বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। মালেক বেন নবী ও আল্লামা ইকবাল এর মূল্যায়নে বলেছেন, ইসলামের রাজনৈতিক মূল্যবোধ মুসলিম সভ্যতায় ভ্রূণ হিসেবে থেকে গেছে , খেলাফতে রাশেদার পরে সেটা বিস্তারিতভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। যার প্রতিক্রিয়ায় ক্ষমতা গ্রহণ, সংস্কার ও হস্তান্তরে বিপর্যয় দেখা যায়। তৈরি হয় ক্ষমতার বৈধতার সঙ্কট।

শুরুতেই যেমন বলেছি, ইফতিরাকুস সুলতান ও ওয়াল কোরআনের বিপর্যয় তৈরি হয়। দ্বান্দ্বিকতা ও দ্বৈততা ; যার কাছে ক্ষমতা আছে, তার নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নেই, আবার যার নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা আছে, তার নেই ক্ষমতাগত সক্ষমতা। যার যৌথ প্রতিক্রিয়া সাংবিধানিক বৈধতার সঙ্কট। আলেমরা একপর্যায়ে জোরপূর্বক ক্ষমতাগ্রহণকারীদের বৈধতা মেনে নেন। একে আপদকালীন ব্যবস্থা বলে আখ্যা দেন। তবে মুসলিম সভ্যতা পরবর্তীতে কখনোই আর এই আপদকালীন ব্যবস্থা থেকে বের হতে পারেনি। বের হতে পারেনি সাংবিধানিক বৈধতার সঙ্কট থেকে।

বিপর্যয় থেকে মুক্তির সন্ধানে

নৈতিকতা ও ক্ষমতার মধ্যে দ্বান্দ্বিকতা ও দ্বৈততা থাকতেই পারে। সব রাজনৈতিক ব্যবস্থাতেই থাকে। তবে ঐক্যমতের ভিত্তিতে এর সমাধান ঘটে। নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ক্ষমতাবানকে ছাড় দেন, ক্ষমতাবান ব্যক্তিও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্যকে কাজের সুযোগ করে দেন, তার সমালোচনা গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন। এই ঐক্যমতের জন্য দরকার শাসক নির্ধারণ ও শাসন হস্তান্তরে জনগণের সন্তুষ্টি ও সমর্থন ; ইসলামের ভাষায় যাকে জামাআহ ও ইজমা বলা যেতে পারে। জোরপূর্বক ক্ষমতাগ্রহণ করলে নৈতিকতা ও ক্ষমতার দ্বান্দ্বিকতা  বিরোধ ও বিপর্যয়ে রুপান্তরিত হয়। জারির ইবনে আব্দুল্লাহ রাজিঃ এর হাদিসে এর পক্ষে সমর্থন পাওয়া যায়।

ইয়ামানের একবয়স্ক ব্যক্তি জারির বিন আবদুল্লাহকে ইসলামী রাজনীতির মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন, ‘হে আরব সম্প্রদায়, তোমরা ততদিন পর্যন্ত শৃঙ্খলা-কল্যাণের সাথে থাকবে যতদিন তোমাদের শাসকের মৃত্যু ঘটলে তোমরা নিজেরা আরেকজন শাসক নির্ধারণ করবে। যদি তরবারীর জোরে শাসক নির্ধারিত হয়, তাহলে তারা সাধারণ রাজাবাদশাদের মতো আচরণ করবে।’ এই ছোট মন্তব্যে ইসলামী সভ্যতায় সাংবিধানিক বৈধতার সঙ্কটের সুলুক সন্ধান পাওয়া যায়।

ইবনে তাইমিয়া রাহঃ দেখিয়েছেন, শাসক হবার জন্য ক্ষমতাগত সক্ষমতা থাকা জরুরী, নিছক নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা কাফি নয়। নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও ক্ষমতাগত সক্ষমতার মধ্যে আমাদের সমন্বয় করতে হবে। সমন্বয়ের পদ্বতি হচ্ছে, শাসক নির্ধারণ ও শাসন ক্ষমতা হস্তান্তরে সমাজের সম্মতি ও সমর্থন থাকতে হবে। তাতে নৈতিকতা ও ক্ষমতার মধ্যে দ্বান্দ্বিকতার অবসান ঘটবে। নিছক আপদকালীন তত্ত্বের ভিত্তিতে জোরপূর্বক ক্ষমতাগ্রহণকারী ব্যক্তিদের সমর্থন দিয়ে গেলে এর সমাধান পাওয়া যাবে না।

The post সাংবিধানিক সঙ্কট : মুসলিম সভ্যতায় রাজনৈতিক বিপর্যয় appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae/

No comments:

Post a Comment