Friday, October 15, 2021

আগুনখেয়া (৫ম পর্ব)

ইবরাহীম জামিল:

পাহাড়ে সন্ধ্যা নামে অদ্ভূত রং নিয়ে।

সারাদিন পুড়ে পুড়ে লাল হয়ে যাওয়া সূর্যটা পশ্চিম আকাশ থেকে যখন আলো ফেলে, সে আলো ম্যাজিক বলের মতো পাতার ফাঁক গলে, গাছের ডাল বেয়ে আগুনখেয়ার উঠোনে এসে নামে। মনে হয় ব্যাপারটা ঠিক প্রাকৃতিক নয়, কেউ একজন পরিকল্পনা করে প্রতিদিন সন্ধ্যায় আগুনখেয়া জুড়ে বিয়ের বাতি জ্বালিয়ে দেয়। অন্য দিন আলাদা করে এ আলোর তাৎপর্য চোখে পড়ে না। আজ পড়ছে, যখন মহিত শেখের বিচার নিয়ে আগুনখেয়ার উঠোনে সবাই সমবেত হয়েছে।

ডেভিড আজ পাদ্রীদের মতো সাদা আলখাল্লা পরেছে। আম পাতার ফাঁক থেকে ছেঁড়া ছেঁড়া আলো এসে ডেভিডের সারা গায়ে ছড়িয়ে পড়েছে। তাকে ঈশ্বরের দূত বলে মনে হচ্ছে।

শরৎ আর সমরেশ পশ্চিমের পাহাড়ের পাশে আগুন ধরাতে চেষ্টা করছে। বার বার উত্তুরে হাওয়া আগুন নিভিয়ে দিচ্ছে। আবার নতুন উদ্যমে আগুন ধরাতে চেষ্টা করছে ওরা । ওদের বেহাল দশা দেখে মিনিরওজা নামের মেয়েটি সিকি ছটাক কেরোসিন এনে ঢেলে দিতেই ধা-ধা করে আগুন জ্বলে উঠল।

মেয়েরা শুকর কেটে দিয়েছে। মশলাও বেটে দিয়েছে। বাটা মসলা শুকরের মাংসে মাখিয়ে একটি বড় পলির উপর বিছিয়ে রাখা হয়েছে। দুয়েকটা বেয়াড়া কাক ছোঁ মেরে এক দুই টুকরো মাংস নিয়ে গেছে। কুকুরগুলো মুখ হা করে আছে। শুকরের মাংসের লোভে জিহ্বা থেকে লালা ঝরছে। একটা কুকুরের প্রতি কী ভেবে মায়া দেখিয়ে সমরেশ একটুখানি হাড্ডির টুকরো ছুঁড়ে দিয়েছিল। সাথে সাথে বাকি কুকুরগুলো ঘেউ ঘেউ করে উঠল ভীষণ বেগে। সমরেশের আর সাহস হয়নি কারো প্রতি মায়া দেখাতে ।

কুকুরদের মধ্যে বোধহয় নীতি-নৈতিকতা বেশি। দিলে সবাইকে এক টুকরো করে দিতে হবে। একজনকে কেন? অবশ্য সেই এক টুকরো হাড্ডি নিয়েই কুকুর সমাজে যে দাঙ্গা হাঙ্গামা বেঁধে গেছে তা ছাড়াতে বৃদ্ধ খুড়োকে গলদঘর্ম হতে হয়েছে।

ডেভিড বসেছে চেয়ারে। মোড়ায় বসে আছে মহিত শেখ। বরাবরের মতোই মাথা নিচু করে রেখেছে। মহিত শেখের অবশ্য মাথা নিচু-উঁচুর কোনো অনুভূতি নেই। তার ভাবনা জুড়ে একটা চিন্তাই ঘুরপাক খাচ্ছে— তার যা হয় হোক, সেবাগী যেন বঞ্চিত না হয়। সে যেন ঠিক সময়ে কারবারির পদটা পায়। এটা যদি না হয় তবে মহিত শেখ নিজেকে ক্ষমা করতে পারবে না। তার কারণে এ বংশের শেষ উত্তরপুরুষ তার প্রাপ্য অধিকারটুকু হারাচ্ছে।

ডেভিড কথা শুরু করছিল, কিন্তু এক ঝাঁক কাক তুমুল চিৎকার জুড়ে দিল। সম্ভবত শুকরের মাংসের দাবিতে ওরা মিছিলে নেমেছে। শরৎ শুকরের নাড়ির পরিত্যক্ত স্তুপটা একপাশে সরিয়ে রাখতেই কাকের পাল সেগুলো ভাগাভাগি করে নিয়ে অন্য পাহাড়ে উড়াল দিল। ডেভিড কথা বলতে শুরু করল—
‘মহিত যা করেছে সেটা ক্ষমাহীন অপরাধ। তোমরা কী বলো?’

কেউ কিছু বলল না। সবাই জানে, সে যা করেছে তা ক্ষমাহীন অপরাধ, তবে কেউ চাচ্ছে না সে ক্ষমাহীন শাস্তি পাক।

ডেভিড কাশি দিয়ে গলা পরিস্কার করল। কিছুক্ষণ থেমে থাকল। তারপর আবার বলল— হ্যা, আগুনখেয়ার হেড হয়ে আগুনখেয়ার আইন না মানা ক্ষমাহীন অপরাধই বটে! কিন্তু আমার একটা কথা আছে, সাপের অভিশাপ বলে কি সত্যিই কিছু আছে?

আগুনখেয়ার মানুষেরা হৈ চৈ করে উঠল— ‘আছে। আছে বৈকি! দেখছেন না, সাপের অভিশাপে মহিত শেখের কী হাল হয়েছে!
ডেভিড খানিক সময় ভেবে বলল, মহিত শেখের ব্যাপারট বুঝলাম। কিন্তু শঙ্কু ওঝাকে সাপে কাটল কেন? সে তো নিয়মিত সাপের পুজো করতো। সে তো কারো টাকা চুরি করেনি!
ডেভিডের কথার উত্তর নেই কারো কাছে, কিন্তু রাগে ভিতরে ভিতরে জ্বলছে সবাই। তারা যা বিশ্বাস করতে চায় তা করবে। তারা যাকে পুজো দিতে চায় দিবে। তাতে ডেভিডের নাক গলানোর কী আছে? সেকি পাহাড়ী মানুষ? তাকে কি শ্বাপদের সাথে একসাথে থাকতে হয়?

ডেভিড বলল, আমি তোমাদের মনের কথা বুঝতে পারছি কিন্তু এটা মহিতের দাদার পাহাড়। তোমাদের পূর্বপুরুষেরা মহিতের দাদার কারণেই এ পাহাড়ে আশ্রয় পেয়েছিল। এখন নিজেদের কোনো ভুল ধারণা বা বিশ্বাসের কারণে মহিতের কাছ থেকে তোমরা আগুনখেয়াকে কেড়ে নিতে পারো না!
দুয়েকজন দুর্বল আওয়াজে ‘ঠিক’ বলে মহিতকে সমর্থন করল।
কেউ বুঝতে পারছে না, তাদের কী করা উচিৎ। মহিত কারবারি থাকুক, এটা সবাই চায়। আবার এতোদিনের একটি আইনকে এক কথায় বাদ দিয়ে দেয়া যায় না। ডেভিড চেষ্টা চালিয়ে গেল।
বোঝাতে চেষ্টা করল যে, এ পাহাড়ে মহিতের দাদার অবদান নিয়ে কারো সংশয় নেই। কিন্তু সাপের জন্য পুজো না দিলে সাপ সবকিছু উজাড় করে দেয়— তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
ডেভিড বলল, আমি এই পাহাড়ে এসে কতগুলো সাপ মেরেছি তা আঙুল গুনে বলতে পারবো না। আমি তো উজাড় হইনি। নিজে খেয়ে পরে বেঁচে আছি, তোমাদেরকে খাওয়াতে পারছি। মহিত যদি আগুনখেয়ার হেড থাকে তাহলে হয়তো আরও অনেকবার খাওয়াতে পারবো। হয়তো তোমাদের অনেককে চাকরি দিতে পারবো। হয়তো তোমাদের ছেলেগুলোকে লেখাপড়া শেখাতে পারবো।
উপস্থিত লোকেরা বুঝে ফেলল পানি কোনদিকে গড়াচ্ছে।
ডেভিড সম্পষ্ট করে না বললেও সে কী বলতে চায় সবাই বুঝে গেছে। মহিত আগুনখেয়ার হেড থাকলে তাদের অবস্থা বদলে যেতে পারে। একটা দুটো মানুষও চাকরি পাওয়া কি কম কথা! আর মহিতকে কারবারি থেকে বরখাস্ত করলে বর্তমান দুর্দশা চলতেই থাকবে। কিন্তু কে মুখ ফুটে বলে যে, মহিতকেই আমরা কারবারি হিসেবে মেনে নিচ্ছি, এতোদিনের বিশ্বাসকে আমরা পরিত্যাগ করছি?

পরেশের খুড়োকেই দাঁড়াতে হল। সে ভাঙ্গা ভাঙ্গা গলায় বলল যে, আগুনখেয়ায় স্বর্পপুজো শুরু হওয়ার আগেও সাপের উপদ্রব যেমন ছিল এখনও তেমন। সুতরাং স্বর্পপুজো নিরর্থক হতেই পারে। বিষয়টি নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবা যায়।
পরেশের খুড়োকে এবার অনেকেই সমর্থন দিল। কিন্তু মঙ্গল দাঁড়িয়ে বলল, স্বর্পপুজোতে সাপের রাগ নামুক বা না নামুক, আমাদের তো একবেলা শুকরের মাংস খাওয়া হতো। পুজো বাদ দিলে সে খাওয়ার কী হবে?
মঙ্গলের কথা শুনে তার সমবয়সী ছেলেরা হো হো করে হেসে উঠল।
ডেভিড গম্ভীর স্বরে বলল, এটাই আসল ব্যাপার। স্বর্পপুজোতে একমাত্র যে লাভটা হয় তাহল তোমরা একবেলা ভালো খাবার খেতে পারো। পুজো বন্ধ হলে সে খাবার বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু সাপের কামড়ে কতদিন পর পর মানুষ মরে? পাঁচ বছরে একবার? অথবা প্রতি বছরে একবার? আমি তোমাদেরকে প্রতি মাসে একবার শুকরের মাংস খাওয়াবো!
সবাই খুশিতে হাততালি দিয়ে উঠল। ডেভিডের নামের জয়োধ্বনি শুরু হল। আনন্দ-উল্লাসে আলোচনার গাম্ভীর্য নষ্ট হচ্ছে বুঝতে পেরে ডেভিড উচ্চস্বরে বলল, সাইলেন্ট প্লিজ!
‘সাইলেন্ট প্লিজ’— এর অর্থ আগুনখেয়ার মানুষ না বুঝলেও সবাই চুপ হয়ে গেল।
ডেভিড গম্ভীরস্বরে বলল, তবে একটি শর্তে…
সবাই উৎকর্ণ হল। ডেভিড আবার বলল, তোমরা মাসে একদিন পেট ভরে শুকরের মাংস খেতে পাবে, তবে একটি শর্তে…
পাহাড়ের পূবদিকে যে জঙ্গলা জায়গাটা, ওটা আমাকে দিতে হবে। আমি ওখানে গির্জা নির্মাণ করবো। সে গির্জা-ই তোমাদের জন্য মাসে একদিন শুকরের মাংসের ব্যবস্থা করবে।
প্রস্তাব খারাপ নয়। গির্জা হোক, বা মন্দির। পাড়ায় একটা উপাসনালয় থাকলে পাড়ার দাম বাড়ে। মহিতের শর্ত পূরণে কেউ-ই আপত্তি করল না। আলোচনা মোটামুটি হয়ে গেছে। এবার সিদ্ধান্তের পালা।

অন্ধকার গাঢ় আকার ধারণ করেছে আগুনখেয়ায়। উঠোনে পুরোনো দিনের একটা হ্যাজাক লাইট জ্বালানো হয়েছে। তার আলোতে আত্মহুতি দেবার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে আগুনখেয়ার তাবৎ কিট-পতঙ্গের দল। অন্যান্য দিন এসময় মেয়েরা রাতের খাবারের জন্য চুলো ধরায়, কিন্তু আজকে সে ঝামেলা নেই। তাই মেয়ে-ছেলে সবাই চলে এসেছে সিদ্ধান্ত শুনতে। সেবাগী আর হেলেনও এসেছে।
হেলেন সারাবেলা চেষ্টা করেছে সেবাগীর রাগ ভাঙাতে, কিন্তু পারেনি। এখন একটি সুযোগ পেয়ে সে সেবাগীর গা ঘেষে দাঁড়াল। সেবাগী প্রথমে টের পায়নি। টের পাওয়ার পর সরে গেল। কিন্তু তার সাথে সাথে হেলেনকেও সরে আসতে দেখে সেবাগী তুমুল একটা গালি দিয়ে বসলপাহাড়ী ভাষায় । হেলেন গালির মাথামুুুুণ্ডু কিছুই বোঝেনি, কিন্তু সেবাগীর রেগে যাওয়া চেহারা দেখে তার পিছু নিতে আর সাহস পেল না।
ডেভিড বলল, মহিত শেখ আগুনখেয়ার কারবারি হিসেবে বহাল থাকবে, এতে কারো আপত্তি আছে?
সবাই চিৎকার করে বলল, না।
ডেভিড দ্বিতীয় প্রশ্নের জন্য মুখ খুলেছিল, ঠিক তখনই পূর্বদিকের বনের মধ্যে একটি রাইফেল গর্জে উঠল।

উপস্থিত সবাই কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে। এই অন্ধকার রাতে গুলির শব্দ ভালো লক্ষণ নয়। পাহাড়ে গ্রুপিং অনেক। উপজাতিদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব যুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ বিষয়। তারা বন্দুক হাতে নিলে ভুলে যায় কে বাঙালী আর কে উপজাতি। তবে আগুনখেয়ায় এ দ্বন্দ্ব নেই। এখানে সবাই সবার আত্মীয়। বহিরাগত কেউ নেই। তাই যুদ্ধও নেই। আগুনখেয়ায় গুলির শব্দ শুধু তখন শোনা যায়, যখন পথ ভুলে কোনো পাখি শিকারি এখানে এসে পড়ে। নিকষ অন্ধকার রাতে যে গুলির শব্দ শোনা যায় তা পাখি শিকারির গুলির শব্দ নয়। এ শব্দের অর্থ ভিন্ন এবং দারুণ ভয়াবহ।

আগুনখেয়ার মানুষের বিমূঢ়তা এখনও কাটেনি। এর মধ্যে পুবের অন্ধকার বন থেকে তিনটি ছায়ামূর্তি বের হয়ে এল রাইফেল হাতে। কালো কাপড়ে ঢাকাতাদের মুখ ।
‘মহিত শেখ আগুনখেয়ার কারবারি হতে পারবে না!’ চিৎকার করে বলল তিনজনের একজন।
কণ্ঠস্বর শুনে কারো সন্দেহ রইল না যে, কাপড়ের আড়ালের মুখটি পরেশের। উপস্থিত লোকেরা উত্তেজিত হয়ে উঠল।
শরৎ আঙুল উঁচিয়ে বলল, পরেশ! ভালো হবে না বলছি!
শরতের আঙুলের জবাবে পরেশ বন্দুকের নল উঁচিয়ে ধরল। কিন্তু উত্তেজনায় কখন ট্রিগারে চাপ পড়ে গেছে, পরেশ টেরই পায়নি। সে শুধু দেখল, রাইফেলের নল থেকে আগুনের হলকা বের হয়ে শরতের বুক ফুটো করে ঢুকে গেল।

আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল মেয়েরা। পুরুষদের চক্ষু বিস্ফারিত হল। হেলেন ছুটে এসে সেবাগীর হাত চেপে ধরল। সে আতঙ্কে জমে গেছে। হেলেনের হাত ধরার সময় সেবাগীর মনে পড়ল না যে, সে হেলেনের উপর রাগ করে আছে। পরেশ নিজেই বুঝে উঠতে পারছে না যে, কী থেকে কী হয়ে গেল! সে আজকে খুন করতেই এসেছে, কিন্তু শরৎকে নয়। পরেশ ঠিক করে এসেছে সে আগুনখেয়ার কারবারি হবেই। এটা তার জিদ। তাকে আগুনখেয়ার মানুষ কারবারি না মানলে, যে কারবারি হবে সোজা তার বুকে গুলি করে দেবে। গুলি একবার হয়ে গেছে। আর পিছনে ফেরার সুযোগ নেই। পরেশ ও তার দুই সঙ্গীর রাইফেলের নল ঘুরল মহিত শেখের দিকে।
ডেভিড চিৎকার করে বলল, খবরদার! ওকে গুলি করবে না।
পরেশ শীতল গলায় বলল, ওকেই গুলি করবো। ওর জন্যই আজকে এতোকিছু হয়েছে।
সেবাগী ‘না…’ বলে চিৎকার করে উঠেছিল কিন্তু তার চিৎকার গুলির শব্দের নিচে চাপা পড়ে গেল।
বুক লক্ষ্য করে ছোঁড়া গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে মহিতের খুলি উড়িয়ে দিল।

পরেশের মধ্যে হঠাৎ যেন বন্যতা জেগে উঠেছে। তার মনে হচ্ছে, আগুনখেয়ার সবাই তার শত্রু। কেউ তাকে যোগ্য মূল্যায়ন করেনি। পরেশ চোখের পাতা বন্ধ করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে শুরু করল।
ডেভিড চেয়ার ছেড়ে লাফ দিয়ে উঠে হেলেনকে খুঁজল এক মুহূর্তের জন্য। হেলেন আর সেবাগীকে একসাথে পেয়ে তাদের হাত ধরে টানতে টানতে অন্ধকারের মধ্যে ঢুকে গেল ডেভিড।

আগুনখেয়ার মানুষ আতঙ্কে ছুটোছুটি করতে গিয়ে শুকরের মাংসের ডেকচি উল্টে ফেলেছে। কুকুরগুলোরও মাংসের প্রতি আগ্রহ নেই। তারা অনবরত চিৎকার করে চলেছে আসমানের দিকে মুখ তুলে, ভয়ে অথবা মহিতের মৃত্যুর শোকে। আশপাশের পাহাড়গুলোতে মশাল জ্বলে উঠেছে। তারা বুঝতে চেষ্টা করছে আগুনখেয়ায় কী হচ্ছে। কিন্তু নিচুতে মশাল হাতে দাঁড়িয়ে আগুনখেয়ার চূড়া দেখা সহজ নয়। শুধু মানুষ ও কুকুরের চিৎকার আর গুলির শব্দ ছাড়া তারা আর কিছুই ঠাহর করতে পারছে না।

 

The post আগুনখেয়া (৫ম পর্ব) appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a7%ab%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac/

No comments:

Post a Comment