Sunday, June 28, 2020

এবার তুরস্কে পবিত্র কুরআনের অবমাননা

ফাতেহ ডেস্ক:

তুরস্কের ইস্তাম্বুলের এই যুবক পবিত্র কুরআনের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে এই পবিত্র ঐশী গ্রন্থের অবমাননা করেছে। এর প্রতিবাদে তুরস্কের জনগণ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

ধর্মবিরোধী ও অবমাননাকর কাজটি ইস্তাম্বুলের স্কুদার এলাকায় ঘটেছে। তুরস্কের এক যুবক পবিত্র কুরআনের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ডাস্টবিন ফেলে দেয়। এখনও পর্যন্ত এই যুবকের পরিচয় জানা যায়নি।

এই ঘটনার পরদিন সকালে শ্রমিকরা কাজ করতে যাওয়ার পথে বুঝতে পারে যে পবিত্র কুরআনের ছেঁড়া পৃষ্ঠাগুলো ডাস্টবিনে পরে আছে। শ্রমিকরা সেখান থেকে পৃষ্ঠাগুলো সংগ্রহ করে ইসলামবিরোধী আইন রেকর্ড করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে সোপর্দ করেছে।

তারা পুলিশকেও এ ঘটনা জানায়। বর্তমানে পুলিশ ঘাতককে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা পরিদর্শন করে তদন্ত করছে।

সাইবারস্পেসে এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশের পরে, তুরস্কের নাগরিকরা এই ধর্মবিরোধী কাজটির নিন্দা জানিয়েছে এবং সারা বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদের অপমান করা এই অবমানকারীকে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

-এ

The post এবার তুরস্কে পবিত্র কুরআনের অবমাননা appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86/

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

ফাতেহ ডেস্ক:

বাংলাদেশ-ইরানের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য-সহযোগিতা ১০ গুণ বাড়ানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ সবুর হোসাইন।

গত সপ্তাহে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশের চেম্বার অব কমার্স, ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড মাইনসের সঙ্গে এক বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানিয়েছে।

সবুর হোসাইন বলেন, গত অর্থবছরে ইরান-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইতিবাচক পদক্ষেপ নিলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো সম্ভব।

তিনি জানান, বাংলাদেশে ইরানের শুকনো ফল, আলকাতরা, দড়ি ও ক্লিংকারের ভালো চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ ইরানের সঙ্গে যেকোনও ধরনের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রস্তুত বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

সবুর বলেন, বাংলাদেশ ইরানের চেম্বার অব কমার্সের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধিকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে।

এসময় ফার্স চেম্বার অব কমার্সের কর্মকর্তাদের বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য উন্নয়নশীল আট দেশের (ডি-৮) সম্মেলনে যোগ দেয়ারও আমন্ত্রণ জানান তিনি।

বৈঠকে ফার্স চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ইয়ালদা রাহদার বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ব্যবহার করে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো যেতে পারে।

তিনি বলেন, ইরানের এ প্রদেশটি দুই দেশের মধ্যে আরও বাণিজ্য বৃদ্ধির ক্ষেত্র প্রস্তুত এবং এ বিষয়ে সবধরনের বাধা দূর করার চেষ্টা করছে।

-এ

The post ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6/

২ কোটি ২৫ লাখ টাকা অনুদান পেল ৩৫৯টি মাদরাসা

ফাতেহ ডেস্ক:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোর মতো কওমি মাদরাসাগুলোও বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন মাদারাসা বন্ধ থাকার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এসব প্রতিষ্ঠানে। আয় কমে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান শিক্ষকদের ঠিকমতো বেতন দিতে পারছেন না। বন্ধ রয়েছে চলমান অনেক মাদরাসার সংস্কার কাজ। জমতে শুরু করেছে গ্যাস, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য বিল।

এমতাবস্থায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ মন্ত্রী হিসেবে প্রাপ্য মন্ত্রীর তহবিল থেকে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। অনুদানপ্রাপ্তির তালিকায় ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত ৩৫৯টি প্রসিদ্ধ কওমি ও আলিয়া মাদরাসাসহ হেফজখানা এবং এতিমখানার নাম রয়েছে। তন্মধ্যে ১৪৬টি মাদরাসা সর্বোচ্চ ২ লাখ ও ১ লাখ টাকা পেয়েছেন। অন্য মাদরাসাগুলোকে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে অবস্থাভেদে ২০-৩৫ হাজার করে বিভিন্ন অংকের টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। মাদরাসার সংস্কারের জন্য দেওয়া অনুদানের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মাদরাসা সংলগ্ন মসজিদেও অনুদান দেওয়া হয়েছে।

১৩ জুন রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ ইন্তেকাল করেন। এর আগে তিনি নিজ উদ্যোগে কওমি মাদরাসার ছয়টি বোর্ডসহ হাইয়াতুল উলইয়ার নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অধীনে পরিচালিত এসব মাদরাসা ও মসজিদগুলোর জন্য আর্থিক অনুদান বরাদ্দ করেন।

অনুদান প্রাপ্তির তালিকায় আলিয়া মাদরাসাসহ নানা মতাদর্শের ধর্মীয় সংগঠনের অধীনে পরিচালিত মাদরাসা ও মসজিদ রয়েছে। তবে কওমি মাদরাসার সংখ্যা বেশি। কারণ কওমি মাদরাসাগুলো কখনও সরকারি কোনো অনুদান ও সাহায্য-সহযোগিতা পায় না।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ অনুদানপ্রাপ্ত একাধিক মাদরাসার পরিচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৯ সালে সরকারি খরচে প্রথমবারের মতো হজযাত্রীদের ধর্মীয় ও বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিতে ৫৮ জন আলেমকে সৌদি আরব পাঠানো হয়। অনুদানপ্রাপ্তির তালিকায় তাদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার প্রসিদ্ধ মাদরাসা অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের আবেদনের ভিত্তিতে। তালিকায় বিভিন্ন বোর্ড, ধর্মীয় সংগঠন ও সংস্থার নেতাদের পরিচালিত মাদরাসা রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে এসব অনুদান মাদরাসাগুলোর সংস্কার কিংবা পরিচালনার জন্য বেশ সহায়ক বলেও মন্তব্য করেছেন মুহতামিমরা। কওমি মাদরাসা নেতৃবৃন্দ করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এই অনুদান প্রদানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ও তার জন্য দোয়া করেছেন।

অনুদানপ্রাপ্তির তালিকায় রয়েছে- চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসা, জামিয়া রাহমানিয়া সাতমসজিদ-মোহাম্মদপুর, জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী, ফরিদাবাদ মাদরাসা, লালবাগ মাদ্রাসা, বড় কাটারা মাদরাসা, মারকাযুদ দাওয়াতিল ইসলামিয়া হযরতপুর কেরানীগঞ্জ, জামিয়াতুল আজিজ আল ইসলামিয়া কেরানীগঞ্জ, জামেয়া শরইয়া মালিবাগ, জামিয়াতুস সুন্নাহ শিবচর মাদারীপুর, গওহরডাঙ্গা মাদরাসা গোপালগঞ্জ, ঢালকানগর মাদরাসা, পটিয়া মাদরাসা, জিরি মাদরাসা চট্টগ্রাম, দারুল মাআরিফ মাদরাসা চট্টগ্রাম, জামিয়া ওবায়দিয়া নানুপুর মাদরাসা, চরমোনাই আলীয়া মাদরাসা, শর্ষিনা আলিয়া মাদরাসা, ছারছীনা আলিয়া মাদরাসা, আকবর কমপ্লেক্স মিরপুর, শায়েখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, দারুল উলুম রামপুরা বনশ্রী, আফতাবনগর মাদরাসা, হিলি মাদরাসা দিনাজপুর, গহরপুর মাদরাসা সিলেট, জামিয়া দরগা সিলেট, রেঙ্গা মাদরাসা সিলেট, জামিয়া ইকরা ঢাকা, মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসা, জামিয়া হোসাইনিয়া কামিল মাদরাসা মহাখালী, বাহিরদিয়া মাদরাসা ফরিদপুর, দারুল উলুম মাদরাসা খুলনা, দারুল উলুম মাদরাসা কুমিল্লা, জামিয়া আরাবিয়া আশরাফিয়া মিরপুর, জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া চট্টগ্রাম, ভবানীপুর মাদরাসা গোপালগঞ্জ, মাখজানুল উলুম মাদরাসা ময়মনসিংহ, লক্ষীপাশা মাদরাসা নড়াইল, হস্তপল্লী শামসুল উলুম মাদরাসা গোপালগঞ্জ, আল জামেয়াতুল ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার কক্সবাজার, জামিল মাদরাসা বগুড়া, পোরশা মাদরাসা নওগাঁ, জামিয়া হুসাইনিয়া আরাবিয়া মেলান্দহ জামালপুর ও কাজুলিয়া মাদরাসা গোপালগঞ্জসহ আরও বেশকিছু মাদরাসা।

সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে ১৪ হাজার ৩৯৭ কওমি মাদরাসা রয়েছে। তবে কওমি সংশ্লিষ্টদের দাবি, সারা দেশে মাদরাসার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে ২৫ লাখের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। বাংলাদেশে ছয়টি পৃথক আঞ্চলিক বোর্ডের মাধ্যমে এসব মাদরাসা পরিচালিত হয়।

এর আগে করোনা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ঈদুল ফিতরের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই ধাপে সারা দেশের ১৩ হাজার ৯২৯টি মাদরাসায় ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। মাদরাসার ছাত্র সংখ্যা একশ’ বা এর কম হলে ১০ হাজার টাকা, শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে ১৫ হাজার টাকা এবং ২০১ এর অধিক হলে ২০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয় তখন।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতাধীন দেশের দুই লাখ ৪৪ হাজার ৪৩টি মসজিদকে পাঁচ হাজার টাকা করে ১২২ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান দিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশের কওমি মাদরাসাগুলো মূলত স্থানীয় সাহায্য, অনুদান ও শিক্ষার্থীদের বেতনের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়। দারুল উলুম দেওবন্দের রীতিনীতি অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সরকারি কোনো সহায়তা গ্রহণ করে না এসব মাদরাসা। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের সিদ্ধান্ত পাল্টাতে হচ্ছে। মৃদু আপত্তি থাকলেও তারা সরকারি অনুদান গ্রহণ করছেন।

১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত দেওবন্দ মাদরাসার অনুসরণ-অনুকরণে বাংলাদেশে যে মাদরাসাগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে, তাদের কোনো স্বীকৃতি ছিল না। পরে ২০১৭ সালে বর্তমান সরকার কওমি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। স্বীকৃতির সময়েও আলোচনায় দেওবন্দের আদলে স্বতন্ত্র ও স্বকীয়তা বজায় রাখতে সরকারের আর্থিক সহযোগিতা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল কওমি নেতারা।

কওমি মাদরাসাগুলোর ছয়টি শিক্ষা বোর্ডের একটি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক)-এর একজন প্রভাবশালী সহ-সভাপতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘কওমি মাদরাসার সরকারি অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা কাউকে বাধাও দিচ্ছি না।’

ধর্ম মন্ত্রণালয় এই অনুদান ছাড়াও নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের অনুকূলে ২ লাখ ৪০ ও সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের জন্য ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছে। এ টাকা মসজিদ, মাদারাসা, এতিমখানা, কবরস্থান, ঈদগাহ ও মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনা সংস্কার ও নির্মাণখাতে ব্যয় করা হবে। তবে ধর্ম মন্ত্রীর তহবিল থেকে একসঙ্গে এতগুলো মাদরাসায় এভাবে টাকা বরাদ্দের নজির নেই।

The post ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা অনুদান পেল ৩৫৯টি মাদরাসা appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a7%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a7%a8%e0%a7%ab-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%aa/

সরকারী ২৪৮৮৬ পাটকল শ্রমিককে ‘স্বেচ্ছা অবসরে’ পাঠানোর সিদ্ধান্ত

ফাতেহ ডেস্ক:

দেশের পাটকলগুলোতে লোকসান ঠেকাতে ২৪ হাজার ৮৮৬ জন শ্রমিককে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক (বিদায়) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

গতকাল (রোববার) এক ভর্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এই ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা লোকসান নিয়ে পাটকল চালাতে পারি না। সরকার চিন্তা করেছে শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দিয়ে এই খাতকে এগিয়ে নিতে হবে।

পাটমন্ত্রী বলেন, পাটকল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দেওয়ার পর সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে পাটকলগুলোকে আধুনিকায়ন করে উৎপাদনমুখী করা হবে। তখন এসব শ্রমিক সেখানে চাকরি করার সুযোগ পাবেন। তবে কবে সেই সুযোগ হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি মন্ত্রী।

ভার্চুয়াল সম্মেলনে বস্ত্র ও পাট সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, পাটকলগুলোতে ২৪ হাজার ৮৮৬ জন স্থায়ী কর্মচারী রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে শ্রমিকদের চাকরির অবসান করতে।

পাট সচিব আরো জানান, রাষ্ট্রীয় পাটকলগুলোতে ২০১৩ থেকে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৫৪ জন পাটকল শ্রমিক অবসরে গেছেন। অব্যাহত লোকসানের কারণে অর্থ সংকটে তাদের অবসর ভাতা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য বর্তমানে বিজেএমসির আওতায় পাটকল রয়েছে ২৬টি। এর মধ্যে একটি (মনোয়ার জুট মিল) বন্ধ রয়েছে। পাটকলগুলোতে বর্তমানে স্থায়ী শ্রমিক আছেন ২৪ হাজার ৮৬৬ জন। এছাড়া তালিকাভুক্ত বদলি ও দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার। বেসরকারি খাতের পাটকলগুলো লাভ করলেও নানা অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতিতে বছরের পর বছর লোকসান গুনছে সরকারি পাটকলগুলো।

লোকসান কাটিয়ে মিলগুলো চালু রাখতে প্রতি বছরই জনগণের করের টাকা দিয়ে আসছে সরকার। লোকসানে থাকা পাটকলগুলোর অর্থায়নের বিষয়ে গত বছরের ১৪ মে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোকে গত ১০ বছরে ৭ হাজার কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। পাটকলে আর কতদিন অর্থায়ন করব? গত ১০ বছরে তো আমরা ৭ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। এটা অনেক বড় টাকা।’

এভাবে বছরের পর বছর জনগণের করের টাকায় পাটকলগুলো টিকিয়ে রাখার বিপক্ষে মত দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। পাটকলগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ারও পরামর্শ তাদের। এ পরিপ্রেক্ষিতে সরকার স্থায়ী শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করে বিদায় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

-এ

The post সরকারী ২৪৮৮৬ পাটকল শ্রমিককে ‘স্বেচ্ছা অবসরে’ পাঠানোর সিদ্ধান্ত appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a7%a8%e0%a7%aa%e0%a7%ae%e0%a7%ae%e0%a7%ac-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%bf/

পুলিশে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াল

ফাতেহ ডেস্ক:

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। রবিবার পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদস্য আছেন দুই হাজার ২৪৮ জন। ছয় হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের অনেকেই কাজে যোগ দিয়েছেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে পুলিশের ৪০ জন সদস্য মারা গেছেন।

করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়ায় বর্তমানে পুলিশের ১৫ হাজার সদস্য আইসোলেশন অথবা কোয়ারেন্টিনে আছেন।

শনিবার আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘করোনা আক্রান্ত হয়ে জাতীয় পর্যায়ে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩ ভাগ। পুলিশে মৃত্যুর হার মাত্র দশমিক ৫ ভাগ’।

-এ

The post পুলিশে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াল appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/

ভ্যাকসিন গবেষণায় অর্ধ কোটি ডলার অনুদান বাংলাদেশের

ফাতেহ ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের একটি কার্যকর ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও সব রাষ্ট্রের মাঝে সরবরাহের লক্ষ্যে দ্য গ্লোবাল সিটিজেন ফান্ডে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এম আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, ভাইরাসটির ভ্যাকসিন গবেষণা ও সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের এই সহায়তা প্রদান করতে পেরে বেশ সন্তুষ্টি অনুভব করছি। দ্য গ্লোবাল সিটিজেন ফান্ড যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে অনুন্নত ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো ভ্যাকসিনের সমান ভাগ পাবে। কেউ বঞ্চিত হবে না।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে গরীব ও পিছিয়ে পড়া দেশগুলোকে সহায়তা করতে গ্লোবাল সিটিজেন ফোরাম ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যৌথ একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগে তারা করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা করবে। কার্যকর হলে তা সবার মাঝে সমানভাবে সরবরাহ করা হবে।

আবদুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সবসময় সম-অধিকার, নিরপেক্ষতার পক্ষে অবস্থান করেছে। গ্লোবাল সিটিজেনের এই উদ্যোগ সমান অধিকার ও নিরপেক্ষতাকেই প্রধান্য দিচ্ছে। এর কারণে সবাই ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে পারবে। কেউ পিছিয়ে পড়বে না।

দ্য গ্লোবাল সিটিজেন ফান্ডে এই উদ্যোগের আওতায় এখন পর্যন্ত ৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে। সংস্থাটি মনের করে, তাদের এই পরিকল্পনার কারণে সবাই ভ্যাকসিন হাতে পেয়ে যাবে। কোনো দেশকে বৈষম্যের শিকার হতে হবে না।

The post ভ্যাকসিন গবেষণায় অর্ধ কোটি ডলার অনুদান বাংলাদেশের appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%95%e0%a7%8b/

সীমান্তে মিসাইল-ড্রোন মোতায়েন করলো ভারত

ফাতেহ ডেস্ক:

লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের মধ্যকার উত্তেজনা এখনো কমেনি। বরং দুই দেশই যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে। ইতোমধ্যে সীমান্তে অত্যাধুনিক মিসাইল সিস্টেম, ট্যাংক, কামান মজুত করেছে ভারত। অপরদিকে চীন সীমান্তেও ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ছে ড্রোন।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, চীনারা তাদের সীমান্তে শত শত ড্রোন উড়াচ্ছে। অনেক সময় সেগুলো সীমান্ত রেখা পেরিয়ে ভারতের ভুখণ্ডেও ঢুকে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অন্তত চারটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার উপর ওই ড্রোনগুলি উড়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইতোমধ্যে সীমান্তে বিপুল পরিমান সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) বরাবর কড়া নজরদারি শুরু করা হয়েছে। ইসরায়েলের তৈরি বিশেষ ড্রোন হেরন মোতায়েন করেছে নয়াদিল্লি।

এর আগে মে মাস থেকেই লাদাখ সীমান্তে এআর-৫০০ সি নামে হেলিকপ্টার আকৃতির বিশাল ড্রোন মোতায়েন করে চীন। ওই ড্রোনগুলো ৫ হাজার মিটার উঁচুতে উড়তে পারে এবং ৫০০ কেজি পর্যন্ত রসদ নিয়ে ১৭০ কিলোমিটার গতিতে টানা পাঁচ ঘন্টা আকাশে থাকতে পারে।

পাল্টা জবাব দিতে চলতি সপ্তাহে ভারতীয় সেনারা মোতায়েন করেছে হেরন মিডিয়াম অলটিটিউড লং এনডুরেন্স ড্রোন। এই ড্রোন অন্তত ১০ কিলোমিটার উঁচুতে উড়তে পারে এবং টানা ২৪ ঘন্টা আকাশে চক্কর কাটতে পারে। এ ছাড়া সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে রয়েছে পোর্টেবল ড্রোন, একাধিক স্পাইলাইট মিনি ড্রোন। যা দিয়ে সহজেই পার্বত্য এলাকায় শত্রুদের অবস্থান দেখে নেয়া সম্ভব।

২০১৮ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই ড্রোনগুলো তৈরি করে ভারত। যে কোনো আবহাওয়াতেই এই ড্রোন ওড়ানো সম্ভব। ১০ হাজার মিটার থেকে ৩০ হাজার ফুট উঁচু পর্যন্ত উড়তে সক্ষম এই ড্রোন। এগুলো রিয়েল টাইম ভিডিও ফুটেজও তুলে আনতেও সক্ষম।

-এ

The post সীমান্তে মিসাইল-ড্রোন মোতায়েন করলো ভারত appeared first on Fateh24.



source https://fateh24.com/%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%8b/