সাক্ষাৎকারগ্রহণ : ইরতিফ লোন ও হাকিম ইরফান ।
অনুবাদ : রাকিবুল হাসান
২০০৮ সাল। আগেই এপয়েনমেন্ট নেয়া ছিল। আমরা যখন ঘরে ঢুকি, অক্সিজেনের ট্যাঙ্কযুক্ত বিছানায় তাকে বসানো হয়। তার সামনে প্রায় এক ডজন দৈনিক। নেড়েচেড়ে দেখছেন; পাতা উলটাতে উলটাতে কখনো হাসছেন, কখনো হাত নাড়াচ্ছেন, কখনো এদিক সেদিক তাকাচ্ছেন। ঘরে একটি বুক শেলফ আছে, নানা রকম বইয়ে ঠাসা।
কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রবীণ নেতা, হুরিয়াত সম্মেলনের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী শাহ গিলানী তিনি। কাশ্মীর ইস্যুর একমাত্র সমাধান হিসেবে যিনি স্বায়ত্তশাসনকেই সমর্থন করেন। তিনি আমাদের বসতে বললেন। আমরা তো তক্কে তক্কেই ছিলাম। অনুমতি পেতেই বসে গল্প জুড়ে দিলাম। সেই গল্পের চুম্বক প্রশ্নগুলো পাঠকদের জন্য বিধৃত হলো।
কাশ্মীর সমস্যাটিকে কিভাবে দেখছেন?
এই সমস্যাটিকে ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। ১৯৪৭ সালে যখন দেশভাগ হয়েছিল, তখন ব্রিটিশ শাসনের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে নেই এমন ৫৬০টি প্রদেশ ছিল। ভারত এবং পাকিস্তানের সঙ্গে এই প্রদেশগুলো যুক্ত হয় তিনটি শর্তের ভিত্তিতে; সীমানা ভাগাভাগি, জনসংখ্যার অনুপাত এবং সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পর্ক।
হায়দ্রাবাদ কারও সঙ্গেই মিশতে চায়নি, স্বাধীন থাকতে চেয়েছে। কিন্তু ভারত আপত্তি জানিয়ে বলে, হায়দ্রাবাদের অধিকাংশ সীমানা ভারতের সাথে যুক্ত। এই আপত্তি দেখিয়ে ভারত হায়দ্রাবাদকে নিজের অংশে যুক্ত করে নেয়।
জুনাগড় রাজ্য যোগ দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে। এখানেও ভারত আপত্তি তুলে বলল, রাজ্যের জনসংখ্যার সিংহভাগ হিন্দু। কাজেই এটি প্রাকৃতিকভাবেই ভারতের অংশ। এভাবে জুনাগড় ভারতের অংশ হয়ে যায়।
শর্ত অনুযায়ী জম্মু-কাশ্মীর পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হবার কথা ছিল। কারণ তখন অঞ্চলটির ৮৫ শতাংশই ছিল মুসলমান। এখানেও ভারত শর্ত লঙ্ঘন করে দখলদারিত্বের হাত বাড়ায়। দখলদারিত্ব কায়েম হওয়ার পেছনে চারটি কারণ উল্লেখযোগ্য। ১. ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এবং ব্রিটিশ রেড ক্লিফের ষড়যন্ত্র এবং গুরুদাপুর ভারতকে দিয়ে দেওয়া। ২. কাশ্মীরের সিংহাসনে বসা ডোগরা শাসক ভারতের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। তিনিই ভারতকে এখানে ডেকে এনেছেন। যদিও বলা হয়েছিল কাশ্মীরের জনগণ যখন চাইবে ভারত চলে যাবে। ৩. দেশভাগের সময় কাশ্মীর ছিল ধর্মনিরপেক্ষ। যদিও অধিকাংশ মুসলমান, কিন্তু আসলে তারা নামেই মুসলমান ছিল, কাজে নয়। ৪. পাকিস্তান সরকারের জম্মু রুট দিয়েই ভারতীয় সেনারা কাশ্মীরে প্রবেশ করে। কিন্তু পাকিস্তান তাদের পথ চাইলে বন্ধ করে দিতে পারত, করেনি। মাওলানা মওদুদি ১৯৪৭ এর ২৯ আগস্ট পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নবাব মামদূতের সাথে দেখা করে বলেছিলেন, এটিই সুবর্ণ সুযোগ। আপনার কিছু অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসারকে জম্মুর রাস্তা বন্ধ করে দেবার জন্য পাঠানো উচিত, যেন ভারতীয় সেনারা না ঢুকতে পারে। ৩০ আগস্ট তিনি চৌধুরী মুহাম্মদ আলীর সাথেও দেখা করেন। কিন্তু কারও পক্ষ থেকেই কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এর ফলে ১৯৪৭-এর নভেম্বরে জম্মুতে বর্তমান আরএসএস, শিবসেনা, জনসঙ্ঘ এবং অন্যান্য হিন্দু উগ্রপন্থীরা লক্ষাধিক মুসলমানের ওপর গণহত্যা চালায়। এক মিলিয়ন মানুষ সেদিন পাকিস্তানে পাড়ি জমায়।
ভারতের তখনকার প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু শেখ মরহুম আব্দুল্লাহর উপস্থিতিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, জম্মু-কাশ্মীরের জনগণ যখন চাইবে, ভারত নিজেই এই ভূমি ছেড়ে চলে যাবে। শুধু এতটুকুই না, জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের কাছ কাশ্মীর ইস্যুটি ভারতই নিয়ে গিয়েছিল। ১৮টি রেজুলেশন সম্বলিত কাগজে ভারত স্বাক্ষর করেছে। এতে বলা আছে কাশ্মীর বিতর্কিত অঞ্চল। তার জনগণকে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেয়া উচিত। আমরা সে অধিকার তাদেরকে দেব। কাশ্মীর যদি ভারত থেকে এরপরও পৃথক হয়ে যায়, আমরা দুঃখ বোধ করব। তবে তাদেরকে জোর করে আমাদের সঙ্গে রাখব না।
কাশ্মীর সমস্যার সমাধান আপনি কীভাবে হতে পারে বলে মনে করেন?
আমি পঞ্চাশ বছর আগে যা বলেছি, এখনও তাই বলি। কাশ্মীর সমস্যার একমাত্র সমাধান জনগণকে স্বাধীন অধিকার (আরএসডি)। এটিই সবচে গণতান্ত্রিক, বাস্তবসম্মত এবং কার্যকর সমাধান। এর মাধ্যমেই এই অঞ্চলে ঐক্য এবং শান্তি বজায় থাকবে। জম্মু কাশ্মীরকে বিভক্ত করলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। জম্মুর মুসলিমরা সবসময় হুমকি এবং চাপ অনুভব করবে। ভারতীয় সেনাদের আওতায় থাকবে, উগ্রবাদী হিন্দুরা বারবার ভয় দেখাবে। অতীতে এর উদাহরণ আমরা দেখেছি।
আরএসডি মানে কী?
এর মানে হল সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তই এই অঞ্চলে সবকিছু নির্ধারণ করবে। ১৩ কোটি কাশ্মীরি জনগণের জন্য আরএসডি দাবি করছি। এদের মধ্যে ডোগরা, পণ্ডিত, শিখ, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ও আছে। যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারতের পক্ষে ভোট দেয়, ভারতের অংশ হওয়া ছাড়া আমাদের কোনো উপায় থাকবে ন। যদি পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দেয়, তাহলে ভারত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তা মেনে নিতে হবে। অর্থাৎ তাদের ইচ্ছেটুকু তাদের হাতেই ছেড়ে দেয়া হোক।
আরএসডিতে যদি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হয়, তাহলে সংখ্যালঘুদের অবস্থা কী হবে?
মুক্ত ভারতে তো বহু সংখ্যালঘু আছে; সংখ্যালঘুদের সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে থাকতে হবে। তবে আমাদের দেখতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠদের মনোভাব কেমন হবে। ভারতে আমাদের ৬২ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে যে, ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা উদার চিন্তার নয়। সংখ্যালঘুদের প্রতি তারা সহনশীল নয়। আমরা যদি ভারতে মুসলিম সংখ্যালঘুদের উদাহরণ দেখি, দেখব ভারত তাদের অনেক ক্ষতি করেছে।
তবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের দিক থেকে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাআলার নির্দেশনা রয়েছে। কুরআন বলেছে, যখনই কোনও অমুসলিম গোষ্ঠী আপনার আশ্রয়ে থাকে, তাদের উপর আপনার ধর্ম এবং সংস্কৃতি জোর করে চাপিয়ে দেয়ার অনুমতি নেই। কুরআনের আয়াত– ‘লা ইকরাহা ফীদ দ্বীন’ এর অর্থ ধর্ম সম্পর্কিত ব্যাপারে কাউকে বাধ্য করা যাবে না। পক্ষান্তরে আপনি যে অন্যান্য সংখ্যাগরিষ্ঠদের দেখেন, তারা এত উদার মনের নয়। সুতরাং যেখানেই সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের মানবিক ভিত্তিতে নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিক মূল্যবোধ এবং ভালবাসা নেই সেখানেই সমস্যাগুলি উপস্থিত হয়। ইসলাম বলেছে যে আপনাকে আপনার ধর্ম চাপানোর অনুমতি নেই এবং সমস্ত মানুষ ভাই-বোন কারণ তারা এক পিতা অর্থাৎ আদম (আ।) – এর পুত্র ও কন্যা।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, এক আরবের উপর অপর আরবের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই এবং কৃষ্ণবর্ণের উপর শ্বেতাঙ্গের কোনও শ্রেষ্ঠত্ব নেই। কারণ সমস্ত আদম (আঃ) এর পুত্র এবং আদমকে আল্লাহ মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।
সুতরাং, যখন মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষমতা থাকবে, তখন তাদের জন্য ইসলামের সমস্ত বিধি ও নীতি মেনে চলা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। তাই এই জাতীয় ব্যবস্থার অধীনে অমুসলিমদের জীবন, ধর্ম, সম্পত্তি, ধর্মীয় স্থান, মর্যাদা ও সম্মানের গ্যারান্টি রয়েছে। একটি ইসলামী ব্যবস্থায় অ্যালকোহল নিষিদ্ধ। তবে একজন অমুসলিম যদি তার বাড়িতে অ্যালকোহল প্রস্তুত করে পান করত, কেউ তাকে থামাতে পারত না। এমনকি যদি কিছু মুসলিম তার অ্যালকোহলের বোতলটি ভেঙে দিত, তবে রাষ্ট্রকে তার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হত।
আগেই এপ
এখন পর্যন্ত সংগ্রামে কতটুকু সফল হয়েছেন?
আমাদের যুবকরা বুঝতে পেরেছে ভারতের অধীনে আমরা নিরাপদ নই। বিশেষ করে শ্রী আমরনাথ মন্দিরে রাজ্যের ৪০ একর জমি সরকার কর্তৃক দিয়ে দেয়ার পর এই ধারনাটি যুবকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০৮ সালের জিনে আমরা বিক্ষোভ শুরু করি। আমরা শ্লোগান তুলেছিলাম—কাশ্মীর ছেড়ে দাও, জবরদখল চাই না।
সাফল্য এতটুকু—একটি জাতি হিসেবে আমরা বুঝতে পেরেছি যে আমরা নিপীড়িত এবং ভারতীয় জবরদখল থেকে মুক্ত হওয়া দরকার। কবি ইকবাল বলেছিলেন, দাস হওয়ার পর যখন স্বাধীনতার প্রয়োজনে বিবেক যখন জাগ্রত হয়, মুহূর্তটি ঈদ হিসেবে উদযাপন করা উচিত। সুতরাং আমাদের এই জাগরণ যেন দীর্ঘায়ু হয়, এই দোয়া করা উচিত।
আন্দোলন করছেন, কিন্তু সংলাপে যাচ্ছেন না কেন?
সংলাপ এই মুহূর্তে কোনো সমাধান নয়। কাশ্মীর ইস্যুতে সংলাপ শুরু হয়েছিল ১৯৫২ সালের ২৩ মার্চ। এরপর ক্রমান্বয়ে ১৩০টি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ৬২ বছরের অভিজ্ঞতা বলছে, সংলাপ এই মুহূর্তে একটি অপরিণত সিদ্ধান্ত। কারণ আরএসডির দাবিতে লক্ষ মানুষ পথে নামলেও ভারতের শুভ বুদ্ধির উদয় ঘটছে না। তাই আমাদের এখন মিনমিনে সংলাপ বাদ দিয়ে কঠোর হতে হবে।
ভারত পাকিস্তান কারো সঙ্গে যুক্ত না হয়ে বিকল্প স্বাধীনতার সুযোগ আছে?
জাতিসংঘের রেজুলেশন অনুসারে ভারত বা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ছাড়া তৃতীয় কেনো বিকল্প নেই। তবে সবাই যদি একমত হয় যে, ১৯৪৭ সালে যেমন স্বাধীন ছিল তপমন স্বাধীনতা দেয়া হবে, তাহলে হতে পারে। তবে তার আগে ভারতের যাবতীয় সেনা অাধিপত্য তুলে নিতে হবে।
রাজনীতির মঞ্চ ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বক্তৃতা দিয়েছেন?
আমাকে তো মসজিদে নামাজ পড়ারই অনুমতি দেয়া হয় ন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখার অনুমতি দিবে কী করে!
যুবকদেরকে কোন বইগুলো পড়তে বলবেন?
প্রথমেই বলব কোরআন পড়ার কথা। ইসলাম বোঝার দিকে তাদের মনোনিবেশ করতে হবে। ‘ইসলাম এবং জাহিলিয়াত’, ‘সালামতি কা রাস্তা’, ‘বনভ অর বিগাদ’ বইগুলো পড়তে বলব যুবকদের।
আপনি আপনার গবেষণাগ্রন্থ কোনো আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন?
আমার সর্বশেষ কাজ ‘রূহ-ই-দিন কা সিনাসা ইকবাল’। গ্রন্থটি ইকবাল ইনস্টিটিউট পাকিস্তান এবং সৌদি আরব পাঠিয়েছি। আমি অনুবাদক খুঁজছি—যারা আমার উর্দু রচনাগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করতে পারে। কিন্তু আমি রাজনৈতিক মানুষ বলে আমার বই অনুবাদ করতে কেউ রাজি হচ্ছে না।
কাশ্মীর স্বাধীনতার লড়াইয়ে এসে ব্যক্তিগত লড়াইটা কেমন যাচ্ছে?
১৯৬২ সালের ২৮ আগস্ট আমি প্রথম গ্রেফতার হই। শ্রীনগর কারাগারে বন্দী থাকার সময় ১৯৬২ সালের ১৪ নভেম্বরে বাবা মারা যান। আমাকে তার জানাযায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হয়নি। বাবা আমাকে অনেক ভালোবাসতেন। জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতেন আমি কখন অফিস থেকে ফিরব।
আমি আমার দুই মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারিনি। সেই সময়ও আটক ছিলাম। তারপর ইংলিশে পিএইচডি করা আমার এক মেয়ে মারা যায়। আরেক মেয়ে জেদ্দায় একবার তার মেয়েকে হারিয়ে ফেলে। আমরা কেবল অসহায় তাকিয়ে ছিলাম। কারণ আমাদের পাসপোর্ট জব্দ। আমার ছেলের জন্য সৌদি থেকে বড় জবের অফার আসছে। কিন্তু পাকিস্তান তাকে এবং তার স্ত্রীকে পাকিস্তান থেকে বেরুতে দিচ্ছে না।
ব্যক্তিগত লড়াই যতই কঠিন হোক, আমি গলে যাইনি। আমার লোকদের স্বাধীনতা সংগ্রামকেই সর্বাগ্রে রেখেছি।
শেষ প্রশ্নের উত্তরে ব্যক্তিগত লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে চোখ ছলছল করে উঠে সৈয়দ আলী শাহ গিলানীর। দীর্ঘ এগারটি বছর তিনি জেলে কাটিয়েছেন। কত আপনজন হারিয়েছেন, কত প্রিয় মুহূর্তের উদযাপন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কিন্তু যার জন্য সবকিছু, সেই পরম প্রার্থিত স্বাধীনতা কি কখনো পাবেন? সত্যিই পাবেন?
The post কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামী সৈয়দ আলী শাহ গিলানীর সাক্ষাৎকার appeared first on Fateh24.
source https://fateh24.com/77237-2/
No comments:
Post a Comment