মুনশী নাঈম:
আরবি-উর্দু বইয়ের প্রচ্ছদ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচে প্রভাবশালী শিল্পী বশির মেসবাহ। সবাই যখন মাউস এবং কীবোর্ডের কারসাজিতে রঙের খেলা খেলছেন, তিনি তখন মার্কার, পেন্সিল, দোয়াত-কালি, রং-তুলি দিয়ে সৃষ্টি করছেন মোহনীয় যাদু। পাশাপাশি দেশের শ্রেষ্ঠ দু’তিনজন ক্যালিগ্রাফারের মধ্যে অন্যতম একজন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে শোভা পাচ্ছে তার দক্ষ হাতের ক্যালিগ্রাফ। তাঁর রং-তুলির ছোঁয়ায় তৈরী হয়েছে শত শত প্রচ্ছদ। তরুণ প্রচ্ছদশিল্পী এবং প্রকাশকগণ বলছেন, আরবি-উর্দু বইয়ের প্রচ্ছদ করায় বশির মেসবাহ একজন কিং। তাঁর তুলনা এ সময়ে বিরল। তবে তিনি নিভৃতচারী, নিভৃতেই তার বসবাস।
বশির মেসবাহ অনন্যতা কোথায়
কাজী যুবাইর মাহমুদ। আমাদের পরিচিত একজন তরুণ শিল্পী। তার কাছে জানতে চাইলাম, অন্যান্য প্রচ্ছদ শিল্পীদের সাথে বশির মেসবাহর অনন্যতাটা কোথায়? কোন গুণে তিনি অন্যদের চেয়ে স্বতন্ত্র? কাজী যুবাইর বললেন, ‘বশির মেসবাহ মূলত আরবি উর্দু বইয়ের প্রচ্ছদ শিল্পী। আরবি উর্দু প্রচ্ছদের একটা মেজাজ আছে, চরিত্র আছে, সেটা যথার্থভাবে ফুটিয়ে তোলাই তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। প্রচ্ছদের লেখা কম্পিউটার টাইপ হলে বাংলায় সেটা চলে, কিন্তু আরবি উর্দু প্রচ্ছদে সেটা চলে না। আরবি উর্দু প্রচ্ছদ মানোত্তীর্ণ হওয়ার প্রধান শর্তই হচ্ছে হস্তলিপি, এই শর্ত পূরণের একক কিং বাংলাদেশে বশির মেসবাহ-ই। যিনি আরবি আরবি উর্দু প্রচ্ছদ করেন, তিনি যদি লেটারিং না পারেন, তার আরবি উর্দু প্রচ্ছদ করা মানে ঠেকার কাজ চালানো অথবা প্রতারণা করা। পৃথিবীতে কম্পিউটার টাইপ ব্যবহার করে আজো কোনো উৎকৃষ্ট আরবি উর্দু প্রচ্ছদ হয়নি। এই হিসেবে আরবি উর্দু প্রচ্ছদের সবচেয়ে প্রভাবশালী বশির মেসবাহকেই মনে করি। তার সাম্প্রতিককালের বাংলা প্রচ্ছদ নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। আমি তার এক দশক আগ পর্যন্ত করা প্রচ্ছদ নিয়ে বলতে পারি যে, তিনি জীবনে এমন কিছু বাংলা প্রচ্ছদ করেছেন, সেসব পুরো বাংলা ভাষার প্রচ্ছদশিল্পকে মহিমান্বিত করেছে।’
প্রচ্ছদশিল্পী না ক্যালিগ্রাফার—কোন অভিধায় তাকে ভূষিত করবেন, জানতে চাইলে যুবাইর মাহমুদ বললেন, ‘প্রথমত বশির মেসবাহকে প্রচ্ছদশিল্পী বলার চাইতে ক্যালিগ্রাফার হিসেবে আমি আগে চিনে নিব। পরিচ্ছন্ন আর সুরুচিপূর্ণ হাতের লেখাকেই ইংরেজিতে বলা হয় ‘ক্যালিগ্রাফি’, যেখানে রয়েছে দু’টি গ্রিক শব্দ–Kallos (সুন্দর), আর Graphein (লেখা)। বাংলাদেশে ক্যালিগ্রাফি যাদের মাধ্যমে এখন এ পর্যায়ে এসেছে, এর মূলে বশির মিসবাহর অবদান অনন্য। বইয়ের প্রচ্ছদের মধ্যেও তিনি নানা বৈচিত্র্যে ক্যালিগ্রাফি এবং টাইপোগ্রাফির কারিশমা দেখিয়ে যাচ্ছেন কয়েকযুগ ধরে। তাঁর ডিজাইনে যে বিষটি আমার কাছে সবচে গুরত্বপূর্ণ মনে হয় তা হলো—বইয়ের কাভার কিংবা ক্যালিগ্রাফি নকশা এবং কম্পোজশিনের স্থায়িত্ব। আরো বিশ বছর আগের বশির মেসবাহর কাজ এই সময়ে সামনে আনলে সহজেই বুঝা যাবে বইয়ের বিষয়ের সঙ্গে তাঁর প্রচ্ছদ কতটা রিলেটেড। বশির মেসবাহ এবং তাঁর সময়কালের শিল্পীরা যতটা সমৃদ্ধ ছিলেন মক্কা-মদীনার ছবি দিয়ে শৈল্পিক রূপ দেয়ার ক্ষেত্রে, এখনকার ইসলামি বইয়ের প্রচ্ছদ শিল্পীগণ আমার মনে হয় এখনও ততটা সমৃদ্ধ হতে পারেনি। লক্ষ্য করি, তুলির আঁচড়ে মূর্ত-বিমূর্তভাবে তিনি ফুটিয়ে তোলেন সৌন্দর্য। বিশ-পঁচিশ বছরেও যে কাজ এখনও আমাদের কাছে কম্যুনিকেটিভ।’
বশির মেসবাহর হাতে তিন শতাধিক প্রচ্ছদ করিয়েছেন দারুল কলমের সাবেক যিম্মাদার, বর্তমান মাকতাবাতুত তাকওয়ার স্বত্বাধিকারী মাওলানা শাহাদাত হোসাইন। প্রচ্ছদে বশির মেসবাহর যাদুময় লেটারিংয়ের কথাই বললেন তিনি। ফাতেহ টুয়েন্টি ফোরকে তিনি বলেন, ‘আমি বশির মেসবাহর ছাত্র। তার মতো শিল্পী এ তল্লাটে বিরল। আমি কখনো তাকে চাপ দেই না। সময় দেই। তারপর তিনি যে প্রচ্ছদ করেন, দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। তার শুধু আরবি হস্তাক্ষর-ই সুন্দর এমন নয়, বরং তার বাংলা লিপিও দারুণ। মাকতাবাতুত তাকওয়া, মাকতাবাতুল ইসলাম, মাকতাবাতুল আযহার—বাংলায় এসব নামলিপি তারই করা।’
ক্লায়েন্টকে তিনি সময় কম দেন?
বশির মেসবাহকে নিয়ে ফাতেহ টুয়েন্টি ফোর সাপ্তাহিকীর বিশেষ সংখ্যা করছে—জানতে পেরে অনেকেই বিভিন্ন প্রশ্ন করেছেন। অভিযোগ তুলেছেন কেউ কেউ। তাদের অভিযোগ—ক্লায়েন্টদের তিনি সময় কম দেন। আসলেই তিনি সময় কম দেন, নাকি এখানে লুকিয়ে আছে অন্য কেনো রহস্য?
শাহাদাত হোসাইন বললেন, ‘দীর্ঘ ১৮ বছর হলো তার সঙ্গে কাজ করছি। একজন শিল্পীকে সময় দিতে হয়। চাইলেই শিল্প হুটহাট পকেট থেকে বের করে দেয়া যায় না। বশির মেসবাহকেও সময় দিতে হয়। তার হাতে সবসময় কাজ থাকে। তার মাথায় কাজের চিন্তাই ঘুরতে থাকে। তখন কোনো ক্লায়েন্ট এসে যদি তাড়াহুড়া করে, ‘কেমন আছেন, কেমন চলে দিনকাল’ এসব খেজুরে আলাপ করে, তাহলে তার জন্য একটু কষ্টকরই হয়। ক্লায়েন্টকে বিষয়টা বুঝতে হবে। আমি কখনো তাকে চাপ দেই না, সময় দেই। এই জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ৫০টা প্রচ্ছদ করিয়েছি। একজন শিল্পী স্বাধীন। তাকে দিয়ে কাজ কিভাবে করাতে হবে, সেটা জানতে হয়।’
অভিযোগটির উত্তরে কাজী যুবাইর বলেন, ‘যে কোনো শিল্পী তখনই ভালো কাজগুলি প্রকাশ করতে পারেন যখন কাজের বিষয়ে তার থাকে সময়ের এবং রুচির সর্বোচ্চ স্বাধীনতা। আমরা বশির মেসবাহর কাজগুলি সুক্ষ্মভাবে ঘাটলে দেখবো— প্রতিটা কোণ এবং রাউন্ড শেইপগুলোতে তাঁর সিগনেচার। সময়ের যে অভিযোগটি আসে, তা বেশিরভাগ পরিশ্রমী আর সৃষ্টিশীল শিল্পীর ক্ষেত্রেই ঘটে। কেননা সৃষ্টির সঙ্গে শিল্পীর যে সংযোজন তা দ্বিতীয় আর কেউ অনুধাবন করতে পারে না।
আর বশির মিসবাহর ক্ষেত্রে ‘সময়ে’র বিষয়টিতে বর্তমান ক্লায়েন্টদের বোঝাবুঝির যে গ্যাপ, তা ধরতে না পারাটা আমি মনে করি ক্লায়েন্টেরই অপারগতা। তিনি এখনও ক্যালিগ্রাফি, টাইপোগ্রাফি, লোগো এইরকম ক্রিয়েটিভ কাজগুলো করেন ম্যানুয়ালি। পেন্সিল, মার্কার, রং-তুলিতে। এরপরই ডিরেকশন দিয়ে প্রযুক্তির মাধ্যমে আউটপুটের উপযোগী করে তুলেন। একটা আর্টওয়ার্কে ভিজ্যুলাইজ করতে পারাটাই বড় বিষয়, আর তা ক্রিয়েট করার যে সময় স্বাধীনতা—তা কি ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে? আমার মনে হয় এখানেই ক্রিয়েশন, ক্লায়েন্ট আর আর্টিস্টের গ্যাপটা তৈরি হয়। যা শুধু বশির মেসবাহ নন, সৃষ্টিশীল প্রায় শিল্পীর ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।’
বশির মেসবাহ এবং তার প্রসিদ্ধি
তরুণ অনেক শিল্পী প্রসিদ্ধ হলেও বশির মেসবাহ প্রবীণ হয়েও অত প্রসিদ্ধ নন। এটা কেন?
কাজী যুবাইর বললেন, ‘প্রসিদ্ধ মানে তো জনপ্রিয়। আর জনপ্রিয়তা চলে সময়ের স্রোতে স্রোতে। বিগত এবং বর্তমান সময়ে বিশেষ করে ইসলামী ধারায় (ইসলামী ধারা বিশেষ বলা হয়েছে এই কারণে, যেহেতু বশির মিসবাহ বেশিরভাগ কাজ করে গেছেন এ অঙ্গনে) প্রকৃত অর্থে কার জনপ্রিয়তা কতটুকু দাঁড়ায়; তা হিসাব করতে আমাদের কমপক্ষে অপেক্ষা করতে হবে পঞ্চাশ বছর। তাঁর কাজের মধ্যে শক্তিশালী যে ভাব বা মানুষের রুচির সঙ্গে তার কাজের যে রিলেশন, তা শুধু চলমান জনপ্রিয়তার বা কেবল সাময়িক মুগ্ধতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না। কাজের ম্যাচিউরিটি যার মধ্যে যতটুকু থাকে, তার স্থায়ীত্ব ততদিনের। তো এই সময়ে এসে বশির মেসবাহর সঙ্গে তরুণদের তুলনা করতে গিয়ে যখন তাঁর অস্তিত্ব আবছা মনে হয়, তখন আমাদের দুঃখবোধ হওয়া উচিৎ ছিলো। কারণ, বশির মেসবাহর মত একজন প্রকৃত শিল্পীকে আমার আজও চিনে উঠতে পারিনি। এই অপারগতা তাদেরই, যারা বশির মেসবাহকে চিনেন এবং তাঁর কাজের ক্লায়েন্ট। বর্তমান তরুণদের জনপ্রিয়তার কারণ আবিষ্কার করলে বের হবে ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মেলানোর কারণ। আর বশির মেসবাহ যিনি একজন প্রকৃত আর্টিস্ট, তিনি ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না, প্রকৃত শৈল্পিক রূপ প্রকাশের চর্চা করেন। ক্যালিগ্রাফি, বুক কাভার কিংবা লোগো, মনোগ্রাম এই কাজগুলি নিশ্চয়ই স্থায়ী ওয়ার্ক। এই শিল্পে ট্রেন্ডের চাইতে বড় বিষয়টি ধরা হয় স্থায়িত্বে।
যুবাইর মাহমুদ আক্ষেপ করে আরও বলেন, ‘সবচেয়ে বড় দুঃখজনক বিষয়টি হলো, বশির মেসবাহকে বাংলাদেশ আজও খুঁজে পায়নি। যেহেতু তাঁর কাজ একটা গণ্ডির ভেতর সীমাবদ্ধ ছিল, তাই তাঁর কাজের মূল্যায়ন করার অতটুকু সক্ষমতা এই গণ্ডির কেউ অর্জন করতে পারেনি। বাংলাদেশে টাইপোগ্রাফির পথিকৃৎ বলতে আমরা কাইয়ুম চৌধুরী ভেবে থাকি। আমাদের এই ভাবনা তো প্রথম আলোর সৃষ্টি, কারণ প্রথম আলো কাইয়ুম চৌধুরীকে চিনতে পেরেছিল। অথচ বশির মেসবাহর টাইপোগ্রাফি, ক্যালিগ্রাফিতে যে বৈচিত্র্য, তার সিকি ভাগও কাইয়ুম চৌধুরীতে ছিল বলে আমি মনে করি না। বশির মেসবাহকে চিনতে পারার মত ছিল না কোন প্রতিষ্ঠান, কিংবা তাঁর ব্যাকগ্রাউন্ড তাঁকে গণ্ডি পেরিয়ে নিতে পারেনি। অন্তত ইসলামী ধারায় তাঁর প্রকৃত মূল্যায়নটুকু বুঝতে না পারা এটা বাংলাদেশের ব্যর্থতা তো বটেই, এর আগে ইসলামী ধারার মানুষেরই বড় ব্যর্থতা।’
তবে শাহাদাত হোসাইন আরেকটা দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন এখানে। তিনি বলেছেন, ‘আমি বলতে গেলে মেসবাহ পরিবারেরই একজন। আমি আদিব হুজুরের খেদমত করেছি, তাদের ঘরে আসা যাওয়া করেছি। তারা সব ভাই-ই এমন নিভৃতচারী। বশির মেসবাহ একটু আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেন। যশ, খ্যাতি এইসব থেকে একটু দূরেই থাকেন। তিনি চাইলে তার ডিজাইন হাউসকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ডিজাইন হাউসে পরিণত করতে পারতেন। টাকাও কামাতে পারতেন কোটি কেটি। কিন্তু তিনি তা চান না।’
শাহাদাত হোসাইন আরও বলেন, ‘একজন চেয়েছিলো তাকে দিয়ে পুরো কুরআন লেখাতে। বিনিময় ৩০ লাখ টাকা। অন্য কেউ হলে সঙ্গে সঙ্গে অফার লুফে নিতেন। কিন্তু বশির মেসবাহ বললেন, ‘অত টাকার বিনিময়ে কুরআন লিখবো না। লিখে দিবো; তারপর যদি ইচ্ছে হয়, আমাকে ওমরা বা হজ করিয়ে দিয়েন। কাজটি এখনো হয়নি। কবে হয়, আল্লাহ জানেন।’
তার লেটারিং দিয়ে ইন্ডাস্ট্রি গড়া সম্ভব
নিজে একজন শিল্পী হিসেবে বশির মেসবাহকে আপনি কেমন অনুসরণ করেন—প্রশ্নের জবাবে কাজী যুবাইর বলেন, ‘বশির মিসবাহর সঙ্গে আমার সরাসরি কথা হয়েছিল মাত্র দু বার। তা-ও ‘কেমন আছেন’টুকু পর্যন্তই। অতএব তাঁর কাজ আমার কাছে যতটা পরিচিত, তাঁর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ততটা পরিচিত নই। আমার কর্মক্ষেত্রের এরিয়া যেখানে, পুরানা পল্টন, একই এরিয়ায় একেবারেই লাগোয়া, পাশাপাশি বিল্ডিংয়ে দুইজন কিংবদন্তী শিল্পীর ওয়ার্কহাউজ। শিল্পের বিচারে দুজনই দুজনের কাজের জায়গায় কিংবদন্তীতুল্য। চা খেতে খেতে প্রায় দুজনের পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া দেখি, আর ভাবি তাঁদের বিশালতা। একজন বশির মিসবাহ, অন্যজন ধ্রুব এষ। আমি যেহেতু প্রচ্ছদ এবং অক্ষরশিল্প নিয়ে কাজ করি, এই দুইজন ব্যক্তি আমার কাছে সবসময় অনুপ্রেরণার।
লেটারিং ও টাইপোগ্রাফি করার ক্ষেত্রে আমি তার দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত। এই বিষয়ে কোথাও আটকে গেলে আমি বশির মেসবাহর লেটারিং স্টাডি করি, সমাধান পেয়ে যাই। তার একেকটা লেটারিং আমার কাছে লেটারিংয়ের ক্লাসের মতো। সবমিলিয়ে বলা যায়, বশির মেসবাহরা বাজারে আছেন বলেই তো কাজী যুবাইর মাহমুদ ঢাকা শহরে শিল্প করে ভাত খাওয়ার সাহস করেছে।
বশির মিসবাহর লেটারিংয়ে নিখুঁত এলাইনমেন্ট আর অক্ষরের সিমিলারিটি থেকে খুঁটে খুঁটে আমি প্রতিনিয়ত শিখি। উনি এই লাইনে একজন আইকনিক বস ও মহা সম্মানের শায়েখ। তিনি এ পর্যন্ত যে পরিমাণ টাইপফেস ক্রিয়েট করেছেন এবং খুব নগণ্য মূল্যে যেসব মাস্টারপিস লেটারিংগুলি ক্লায়েন্টদের দিয়েছেন, সেসব টাইপফেস ও লেটারিংগুলি যদি বাংলা টাইপ অর্থাৎ বাংলা ফন্ট হিসেবে প্রকাশ করা হয়; তাহলে বাংলাদেশে বিশাল এক ফন্ট ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলা সম্ভব শুধু তাঁর লেটারিংগুলি দিয়েই।’
The post প্রকাশক এবং শিল্পীদের চোখে বশির মেসবাহ appeared first on Fateh24.
source https://fateh24.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8b/
No comments:
Post a Comment